বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ

বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

মাছ বাঙ্গালির কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের একটি বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ। দেশে মিঠাপানির ২৬০টি প্রজাতির মাছের মধ্যে ১৪৩ প্রজাতির ছোট মাছ রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ আমাদের সহজলভ্য পুষ্টির অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে মলা, ঢেলা, পুঁটি, বাইম, টেংরা, খলিশা, পাবদা, শিং, মাগুর, কেচকি, চান্দা ইত্যাদি অন্যতম। এসব মাছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ ও আয়োডিনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ রয়েছে।

এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে এবং রক্তশূন্যতা, গলগÐ, অন্ধত্ব প্রভৃতি রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জলাশয় সংকোচন, অতি আহরণ ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র বিনষ্ট হওয়ার ফলে প্রাকৃতিক জলাশয়ে ছোট মাছের প্রাপ্যতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়।

ওটঈঘ (২০১৫) এর তথ্য মতে, দেশে বিলুপ্ত প্রায় মাছের সংখ্যা ৬৪টি। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) হতে বিলুপ্ত প্রায় ও দেশীয় মাছের ওপর গবেষণা পরিচালনা করে ইতোমধ্যে ২৩ প্রজাতির মাছের প্রজনন ও চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এর মধ্যে পাবদা, গুলশা, টেংরা, গুজিআইর, চিতল, ফলি, মহাশোল, বৈরালী, বালাচাটা, গুতুম, কুচিয়া, ভাগনা, খলিশা, গজার ইত্যাদি অন্যতম। এসব প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারিত হওয়ায় বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির মাছের প্রাপ্যতা সাম্প্রতিকালে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মাছের মূল্য সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এসেছে।

তা ছাড়া নদ-নদী, হাওড় ও বিলে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিলুপ্ত প্রায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ মাছের জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এটি বর্তমান সরকারে একটি অন্যতম সাফল্য।উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে পুকুরে দেশীয় ছোট মাছের মোট উৎপাদন ছিল ৬৭,৩৪০ মেট্রিক টন – যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২.৪১ লক্ষ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ গত ১১ বছরে দেশীয় ছোট মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫৮%।

বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

বর্তমান সরকারের আমলে দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ইতোপূর্বে শুধুমাত্র ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহস্থ স্বাদুপানি গবেষণা কেন্দ্র থেকে বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা করা হতো। বর্তমানে ময়মনসিংহ স্বাদুপানি কেন্দ্র ছাড়াও বগুড়ার সান্তাহার, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর ও যশোর উপকেন্দ্রে বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণে গবেষণা পরিচালনা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইনস্টিটিউট হতে উদ্ভাবিত কয়েকটি দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও চাষ কৌশল নি¤েœ সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলো:

১. বিপন্ন প্রজাতির টেংরা মাছের কৃত্রিম প্রজনন : আইইউসিএন (২০১৫) এর তথ্যানুযায়ী টেংরা (গুংঃধংারঃঃধঃঁং) বর্তমানে একটি বিপন্ন প্রজাতির মাছ। প্রজাতিটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষার্থে এবং চাষের জন্য পোনার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইনস্টিটিউটের স্বাদু পানি উপকেন্দ্র, সৈয়দপুরে এর কৃত্রিম প্রজনন, পোনা প্রতিপালন এবং চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মৎস্য অধিদপ্তরে ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে মাঠপর্যায়ে এর চাষাবাদ শুরু হয়েছে। টেংরা মাছের পোনা উৎপাদন ও চাষ সম্প্রসারণের ফলে দেশে টেংরা মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ বিপদাপন্ন অবস্থা থেকে এ প্রজাতিটিকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

২. বৈরালি মাছের জীনপুল সংরক্ষণ : বৈরালি মাছ উত্তর জনপদের একটি সুস্বাদু মাছ। বৈরালি মাছ বরালি ও খোকসা নামেও পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম ইধৎরষরঁংনধৎরষধ। এ ছাড়াও ইধৎরষরঁংনধৎহধ, ইধৎরষরঁংনবহফবষরংংরং, ইধৎরষরঁংঃরষবড় ও ইধৎরষরঁংাধমৎধ নামেএ মাছের আরো ৪টি প্রজাতি রয়েছে। খাল, বিল, পাহাড়ি ঝর্ণা ও অগভীর স্বচ্ছ নদীতে মূলত এ মাছটি পাওয়া যায়। ওটঈঘ (২০১৫) কর্তৃক এ মাছটিকে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

বিপন্নের হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সৈয়দপুর স্বাদুপানি উপকেন্দ্র কর্তৃক রংপুরের চিকলি নদী ও দিনাজপুরের আত্রাই নদী হতে বরালিমাছ সংগ্রহ করে উপকেন্দ্রের পুকুরে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে প্রতিপালন করা হয়। অতঃপর ২০২০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো বরালি মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফলতা অর্জিত হয়। ফলে এর পোনা প্রাপ্তিসহ জাত হয়েছে এবং ইতোমধ্যে উত্তরবঙ্গে এর চাষাবাদ শুরু হয়েছে।

৩. বালাচাটা মাছের কৃত্রিম প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন : বালাচাটা মাছ এর বৈজ্ঞানিক নাম ঝড়সরষবঢ়ঃবংমড়হমড়ঃধ। দেশের উত্তরাঞ্চলে এ মাছটি এক সময় প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। বর্তমানে এ মাছটি সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায়। পাহাড়ি ঝর্ণা ও অগভীর স্বচ্ছ জলাশয় এদের বেশি প্রিয়। প্রজাতিটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে এবং চাষের জন্য পোনার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ইনস্টিটিউট হতে ২০১৯ সালে দেশে প্রথমবারেরমতো এর কৃত্রিম প্রজনন, নার্সারি ব্যবস্থাপনা ও চাষ কৌশল উদ্ভাবন করা হয়েছে।
একটি পরিপক্ব (৯-১৪ গ্রাম) বালাচাটা স্ত্রী মাছের ডিম ধারণক্ষমতা ৪ থেকে ৮ হাজার এবং প্রজননকাল এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত। গবেষণায় দেখা গেছে যে, একই বয়সের পুরুষের চেয়ে স্ত্রী মাছ তুলনামূলকভাবে আকারে বড় এবং দেহ প্রশস্ত হয়ে থাকে।

হরমোন ইনজেকশন প্রয়োগের ৭-৮ ঘণ্টা পর প্রাকৃতিকভাবে স্ত্রী মাছ ডিম ছাড়ে। সাধারণত ডিম ছাড়ার ২৩-২৪ ঘণ্টা পর ডিম ফুটে রেণু বের হয়ে আসে। রেণুপোনা ট্রেতে ০৪-০৫ দিন রাখার পর নার্সারি পুকুরের হাপাতে লালন-পালন করে অঙ্গুলি পোনায় পরিণত করা হয়। ছোট ছোট শুঁককীট জাতীয় খাবার খেয়ে এ মাছটি জীবনধারণ করে। মাছটি খেতে খুবই সুস্বাদু, মানব দেহের জন্য উপকারী অণু পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এবং কাটা কম।

বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

৪. গুতুম মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদনে সফলতা : আমাদের দেশে উত্তরবঙ্গের চলন বিল, ছোট যমুনা নদী ও হালতি বিলে এ মাছ পাওয়া যায়। এ ছাড়াও ময়মনসিংহ, সিলেট, দিনাজপুর এবং রংপুরের ছোট ছোট নদীতে এ মাছ মাঝে মধ্যে পাওয়া যায়। এ মাছটি সাধারণত গুতুম, গুটিয়া, গোরকুন, পোয়া, পুইয়া নামে পরিচিত হলেও উত্তর জনপদে গোতরা বা পুয়া মাছ নামে বেশি পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম খবঢ়রফড়পবঢ়যধষঁং মঁহঃবধ। বাংলাদেশে এই মাছটিকে মূলত খাবারের মাছ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাহারি মাছ হিসেবে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা বিলুপ্ত প্রায় গুতুম মাছের পোনা উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে। ফলে চাষাবাদের মাধ্যমে এর উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে।

৫. খলিশা মাছের পোনা উৎপাদনে সফলতা অর্জন : খলিশা বাংলাদেশের অতি পরিচিত দেশীয় প্রজাতির একটি ছোট মাছ। এর বৈজ্ঞানিক নাম ঈড়ষরংধভধংপরধঃঁং, যা আমাদের দেশে খৈলশা, খলিশা, খৈলা নামে পরিচিত। প্রাকৃতিকভাবে এ প্রজাতিটি বাংলাদেশসহ, ভারত, নেপাল ও মিয়ানমারে মূলত পাওয়া যায়। মিঠাপানির জলাশয়ে বিশেষ করে পুকুর, নদী, ঝর্ণা, খাল, বিলে এক সময় এ মাছটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। শস্যক্ষেতে কীটনাশকের যথেচ্ছ প্রয়োগ, অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ নির্মাণ, জলাশয় শুকিয়ে মাছ ধরা, কলকারখানার বর্জ্য নিঃসরণ ইত্যাদি নানাবিধ কারণে বাসস্থান ও প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ায় এ মাছের প্রাচুর্যতা সাম্প্রতিককালে ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রজাতিটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে এবং চাষের জন্য পোনা প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ২০১৬ সাল হতে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, সৈয়দপুর হতে গবেষণা পরিচালনা করে ২০১৮ সালে মাছটির কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পোনা উৎপাদন কলাকৌশল উদ্ভাবনে সাফল্য লাভ করে। উক্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে খলিশা মাছ চাষের ক্ষেত্রে পোনা প্রাপ্তি এবং চাষাবাদ সহজতর হবে। উল্লেখ্য, বয়স, আকার ও ওজন অনুপাতে এর ডিম ধারণক্ষমতা ৫,০০০ থেকে ১৩,০০০ এবং প্রজননকাল মে থেকে সেপ্টেম্বর।

৬. কুচিয়ার পোনা উৎপাদন ও চাষ ব্যবস্থাপনা : কুচিয়া অন্যতম পুষ্টিসমৃদ্ধ ও ঔষধি গুণসম্পন্ন একটি মাছ। আন্তর্জাতিক বাজারে এর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। বিগত কয়েক বছর যাবৎ কুচিয়া রপ্তানি করে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। মূলত প্রকৃতি থেকে কুচিয়া সংগ্রহ করে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। কুচিয়াও বর্তমানে ১টি বিপন্ন প্রায় প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত। আন্তর্জাতিক বাজারে কুচিয়ার যথেষ্ট চাহিদা থাকায় কুচিয়ার উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রজনন ও চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ইনস্টিটিউট থেকে গবেষণা পরিচালনা করা হয়।

বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

গবেষণা মাধ্যমে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে কুচিয়ার পোনা উৎপাদনে সফলতা অর্জিত হয়েছে এবং দেশীয় প্রচলিত খাবারে ক্রমশ কুচিয়াকে বর্তমানে অভ্যস্থ করা হচ্ছে। কুচিয়ার পোনা উৎপাদনে সফলতা অর্জিত হওয়ায় প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে কুচিয়ার নির্বিচারে আহরণ হ্রাস পাচ্ছে এবং এর চাষাবাদ সহজতর হয়েছে।

দেশীয় ছোট মাছ সুরক্ষাসহ গবেষণায় গৌরবজনক ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০২০ সালে একুশে পদক অর্জন করে। ফলে ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা গবেষণা কাজে আরো অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং ইনস্টিটিউটে গবেষণার পরিধি বিস্তৃত করা হয়েছে। দেশের মৎস্য উৎপাদনে দেশীয় ছোট মাছের অবদান ৩০-৩৫%। দেশীয় মাছের চাষাবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে হ্যাচারিতে দেশীয় মাছের পোনা ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে।

পোনা প্রাপ্তি সহজতর হওয়ায় বর্তমানে মাঠপর্যায়ে পাবদা, গুলশা, শিং, টেংরা, মাগুর ও কৈ মাছ ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে। ইদানীং বাটা মাছের চাষ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশীয় মাছের চাষাবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় এদের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, ইনস্টিটিউট থেকে বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায় মাছ ঢেলা, শালবাইম, রাণী, কাজলি, পিয়ালি, বাতাসি, কাকিলা ও ভোল মাছের প্রজনন ও চাষাবাদ নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রযুক্তি উদ্ভাবনও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিলুপ্ত প্রায় সকল দেশীয় মাছকে পর্যায়ক্রমে খাবার টেবিলে ফিরিয়ে আনাই এসব গবেষণার মূল উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুন: 

শীতে মাছ চাষে  সমস্যা ও প্রতিকার

মন্তব্য করুন